কমিউনিটি ২৯ মার্চ ২০২৬

নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমানের ৪ বছরের অর্জন

:১১০ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, টাওয়ার হ্যামলেটসের জনজীবনে অনন্য পরিবর্তন

post

 কিছু অনন্য সাফল্য শুধু টাওয়ার হ্যামলেটস নয়, বরং সমগ্র যুক্তরাজ্যের জন্যও উদাহরণ : মেয়র 

প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল মিল, ৩৮ হাজার শিশু উপকৃত। 

£১,৫০০ করে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট এবং এ লেভেলে বছরে £৬০০ করে শিক্ষা ভাতা (EMA)। দুটো মিলে ৫,২০০ শিক্ষার্থী উপকৃত। * প্রায় ৭,০০০ নতুন শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম। * ইয়ুথ সার্ভিসে বছরে £১৩.৭ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ, যার মধ্যে ২০টি ওয়ার্ডে একটি করে ইয়ুথ সেন্টার, মেয়েদের জন্য একটি আলাদা সেন্টার ও একটি নারী কেন্দ্র। * ফ্রি হোম কেয়ারের জন্য বছরে £৪.৯ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ।( এদেশে ২য় বারা হিসেবে এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন) * ফ্রি সুইমিং-এ তালিকাভুক্ত ২০ হাজার। £১০৭ মিলিয়ন পাউন্ড লেইজার সুবিধায় বিনিয়োগ। * কাউন্সিল মালিকানাধীন ঘরবাড়ির উন্নয়নে £৬০৯ মিলিয়ন পাউন্ড বাজেট পরিকল্পনা। * মে ২০২৬-এর মধ্যে সরবরাহের পথে ৬,৪৪১টি ঘরবাড়ি। * £১০ মিলিয়ন পাউন্ড বাজেটে জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় সহায়তা। * অতিরিক্ত ১ হাজার ২৫০টি গাড়ি পার্কিং স্পেস সরবরাহের পরিকল্পনা * ৩৫০টি নতুন ও আপগ্রেড করা CCTV ক্যামেরা * বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় £১৫ মিলিয়ন বিনিয়োগ, ৭২ জন নতুন ফ্রন্টলাইন ক্লিনিং স্টাফ নিয়োগ লন্ডন, ২৭ মার্চ: টাওয়ার হ্যামলেটসের নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান তার তৃতীয় মেয়াদের চার বছর পূর্ণ করেছেন। এই উপলক্ষে তিনি তার প্রশাসনের অর্জনসমূহ তুলে ধরে জানান, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রায় ১২০টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে ১১০টির বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট অর্জনের প্রায় ৯৩ শতাংশ। চলমান প্রকল্পসমূহ সম্পন্ন হলে এই হার ৯৭ শতাংশে পৌঁছাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। নির্বাচিত মেয়র পদ্ধতির অধীনে এসব প্রতিশ্রুতি কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে নির্ধারিত ছিল এবং সেগুলোর অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। মেয়র বলেন, তার নেতৃত্বে গৃহীত বেশ কিছু উদ্যোগ শুধু টাওয়ার হ্যামলেটস নয়, বরং সমগ্র যুক্তরাজ্যের জন্যও উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, লন্ডনের ৫জন নির্বাচিত মেয়রদের তুলনায় তার প্রশাসনের অর্জন পরিমাণগত ও গুণগত - উভয় দিক থেকেই ব্যতিক্রমী। এসব সাফল্য যাচাইযোগ্য এবং মূলধারার গণমাধ্যমেও (মেইনসট্রিম মিডিয়ায়) ইতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। প্রায় £৪০ বিলিয়ন অর্থনীতির টাওয়ার হ্যামলেটস যুক্তরাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বরা, যেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর বসবাস। এটি সিটি অফ লন্ডনের প্রতিবেশী, যেখানে বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট হিসেবে বিশ্বব্যাপি পরিচিত কেনারি ওয়ারফ এবং কারী ক্যাপিটেল খ্যাত ঐতিহাসিক ব্রিক লেন রয়েছে। প্রায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের আবাসস্থল হচ্ছে এই জনপদ। এমন একটি বৈচিত্র্যময় ও চ্যালেঞ্জিং এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তার প্রশাসন বাস্তবমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে বলে জানান মেয়র। মেয়র লুৎফুর রহমানের জন্য সেরা ৪০টি অর্জনের মধ্যে রয়েছেঃ ফ্রি স্কুল মিল এবং ইউনিফর্ম, হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও এ-লেভেল গ্রান্ট, যুব ও নারী সেন্টার, ফ্রি হোম কেয়ার, বিনামূল্যে সুইমিং সুবিধা, কাউন্সিল মালিকানাধীন ঘর-বাড়ি উন্নয়ন, জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তা, নিরাপত্তা ও CCTV সম্প্রসারণ, ক্লিন ও গ্রীন উদ্যোগ, এবং পাবলিক সার্ভিস ও কমিউনিটি উন্নয়ন। *সেরা অনন্য অর্জনসমূহ* মেয়র লুৎফুর রহমানের কিছু কর্মসূচি জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রথম এবং একমাত্র বারা হিসেবে তার কিছু অনন্য অর্জনঃ * প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্কুল মিল, ৩৮ হাজার শিশু উপকৃত। * £১,৫০০ করে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট এবং এ লেভেলে বছরে £৬০০ করে শিক্ষা ভাতা (EMA)। দুটো মিলে ৫,২০০ শিক্ষার্থী উপকৃত। * প্রায় ৭,০০০ নতুন শিক্ষার্থীর জন্য বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম। * ইয়ুথ সার্ভিসে বছরে £১৩.৭ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ, যার মধ্যে ২০টি ওয়ার্ডে একটি করে ইয়ুথ সেন্টার, মেয়েদের জন্য একটি আলাদা সেন্টার ও একটি নারী কেন্দ্র। * ফ্রি হোম কেয়ারের জন্য বছরে £৪.৯ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ।( এদেশে ২য় বারা হিসেবে এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন) * ফ্রি সুইমিং-এ তালিকাভুক্ত ২০ হাজার। £১০৭ মিলিয়ন পাউন্ড লেজার সুবিধায় বিনিয়োগ। * কাউন্সিল মালিকানাধীন ঘরবাড়ির উন্নয়নে £৬০৯ মিলিয়ন পাউন্ড বাজেট পরিকল্পনা। * মে ২০২৬-এর মধ্যে সরবরাহের পথে ৬,৪৪১টি ঘরবাড়ি। * £১০ মিলিয়ন পাউন্ড বাজেটে জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় সহায়তা। নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, “আমি জটিল সমস্যাগুলো সমাধানে এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিবেদিত মন নিয়ে কাজ করেছি। হাউজিং, শিক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, লেজার সুবিধা ও জীবনযাত্রার ব্যয়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছি।” *মেয়র লুৎফুর রহমান - এর সেরা ৪০ সাফল্য* নির্বাহী মেয়র লুৎফর রহমানের ১১০ টি অর্জন থেকে সেরা ৪০টি নিচে তুলে ধরা হলো: *কস্ট অব লিভিং ক্রাইসিস মোকাবেলাঃ* কঠিন সময়ে বাস্তব সহায়তা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো ১. বাসিন্দাদের জীবন যাত্রার ব্যয় কমাতে ১০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সহায়তা প্রদান। ২. ২০২২/২৩ সালে সকল বাসিন্দার জন্য কাউন্সিল ট্যাক্স ফ্রিজ রাখা। - দ্বিতীয় বছর থেকে যাদের আয় £৫০,৩৫০-এর নিচে, তাদের জন্য রিলিফ ফান্ড চালু করা, যার ফলে তাদের বাড়তি কোনো ট্যাক্স দিতে হচ্ছে না। ৩. দুর্বল ও বিপন্ন বাসিন্দাদের জন্য সপ্তাহে ৭ দিন গরম খাবার ( হট মিলস) সরবরাহ। এ খাতে প্রতি বছর বিনিয়োগ ১ মিলিয়ন পাউন্ড। ৪. কেন্দ্রীয় সরকার উইন্টার ফুয়েল সাপোর্ট বন্ধ করলেও ৪ হাজারের বেশি প্রবীণকে জনপ্রতি £১৭৫ করে সহায়তা প্রদান। *হোম ফর ফিউচারঃ* এফোর্ডেবল ও পরিবারবান্ধব বাড়ি-ঘর ৫. পূর্বে কাউন্সিলের মালিকানাধীন ২২ হাজার ঘর আবারও নিজেদের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ৬. ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে নির্মাণের পথে ৬ হাজার ৪৪১ নতুন ঘর। বেশিরভাগ ঘরই ফ্যামিলি সাইজের। ৭. মেয়র’স এক্সিলারেটেড হাউজিং প্রজেক্ট -এর আওতায় ৪০টির বেশি কাউন্সিল জমিতে আরও ৩ হাজার ৩০০ ঘর নির্মাণ করা হবে। ৮. হোমলেস সমস্যায় ভুগছেন এমন বাসিন্দাদের বারায় বা আশপাশে রাখতে টেম্পোরারী হাউজিং-এ ১৩৪ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি বিনিয়োগ। ৯. কাউন্সিলের ঘর-বাড়ির মান উন্নয়নে ৬০৯ মিলিয়ন পাউন্ডের বিশাল বিনিয়োগ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ড্যাম্প ও মোল্ড, ফায়ার সেফটি, ছাদ ও লিফট মেরামত, নতুন লিফট, কিচেন, দরজা, জানালা ও বাথরুম নির্মাণ ইত্যাদি । ১০. ২০২৬ সালের মে মাসের মধ্যে বারাজুড়ে অতিরিক্ত ১ হাজার ২৫০টি গাড়ি পার্কিং স্পেস সরবরাহের পরিকল্পনা। *এক্সিলারেটেড এডুকেশনঃ* উন্নত শিক্ষা - সবার অধিকার ১১. ইউনিভার্সিটি বার্সারি পেয়েছে ২ হাজার ৪০০ জন স্টুডেন্ট। জন প্রতি পেয়েছে ১ হাজার ৫০০ পাউন্ড। ১২. চিলড্রেন’স সার্ভিসেসে OFSTED রিপোর্টে ‘Outstanding’ রেটিং অর্জন। ১৩. এডুকেশন মেইনটেনেন্স এলাউন্স পেয়েছে ২ হাজার ৮০০-এর বেশি স্টুডেন্ট। জনপ্রতি পেয়েছে ৬০০ পাউন্ড । ১৪. SEND এর সেবা উন্নয়নে ২.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বিনিয়োগ। ১৫. ইউকে’র একমাত্র বারা হিসেবে বারার সকল প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্কুলের স্টুডেন্টের জন্য ফ্রি স্কুল মিলস চালু। উপকৃত হয়েছে ৩৮ হাজারেরও বেশি শিশু। ফ্রি স্কুল মিলসের ফলে তিন স্টুডেন্টের একটি পরিবারে বছরে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ১৬৫০ পাউন্ড। ১৬. বারাজুড়ে বছরে ৭ হাজারের বেশি স্টুডেন্টের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম দেওয়া হচ্ছে। রিসেপশন ইয়ারে ভর্তি হলে ৫০ পাউন্ড এবং ইয়ার সেভেনে ভর্তি হলে ১৫০ পাউন্ডের আর্থিক সহায়তা। ১৭. কমিউনিটি ল্যাঙ্গুয়েজ কর্মসূচির মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের জন্য আরবি, বাংলা, চায়নীজ/ম্যান্ডারিন ও সোমালির মতো কমিউনিটি ভাষা শেখাতে বিনামূল্যে ক্লাস চালু। *এম্পাওয়ার কমিউনিটিজ টু ফাইট ক্রাইমঃ* শুধু কথা নয়, অপরাধ দমনে দৃশ্যমান অ্যাকশন ১৮. বারাজুড়ে ৩৫০টি নতুন ও আপগ্রেড করা CCTV ক্যামেরা বসাতে ৪ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ। ১৯. ৩.৭ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগে ২৬টি এস্টেটে ১০০টি নতুন অত্যাধুনিক ‘এস্টেট ক্যামেরা’ স্থাপন এবং বিকল ৩৬৩টি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন। ২০. বারাকে নিরাপদ রাখতে ৩.৩ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগে কাউন্সিল অর্থায়নে ২৪ জন পুলিশ অফিসার ও ৭২ জন এনফোর্সমেন্ট অফিসার নিয়োগ। ২১. বারাজুড়ে স্থাপিত নাইফ অ্যামনেস্টি বিনগুলিতে ৩ হাজারের বেশি নাইফ বা ধারালো অস্ত্র জমা পড়েছে। ২২. মাদক সমস্যার সমাধানে ‘ড্রাগস স্কোয়াড’ চালু। মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসনের জন্য চালু হয়েছে নতুন একটি ট্রিটমেন্ট সেন্টার। *ক্লিন এন্ড গ্রীন ফিউচারঃ* পরিচ্ছন্ন এলাকা, স্বাস্থ্যকর জীবন ২৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১৫ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করা হয়েছে, সঙ্গে ৭২ জন নতুন ফ্রন্টলাইন ক্লিনিং স্টাফ নিয়োগ। ২৪. রিসাইক্লিংয়ের হার বাড়াতে ২ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বিনিয়োগ। ২৫. বারাজুড়ে ২ হাজার ১৫০টি নতুন EV চার্জিং পয়েন্ট বসানো হয়েছে, যা টার্গেটের চেয়ে ১৫০টি বেশি। *ইনভেস্ট ইন পাবলিক সার্ভিসঃ* পাবলিক সার্ভিস মানেই বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার ২৬. প্রতি ওয়ার্ডে একটি করে ইয়ুথ সেন্টার চালু করতে বছরে ১৩.৭ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ। ইতিমধ্যে ২০টি ইয়ুথ সেন্টার চালু হয়েছে, যার একটি শুধুমাত্র-মেয়েদের জন্য। চাকুরী হয়েছে ৭৫ জন নতুন ইয়ুথ ওয়ার্কারের। এখন পর্যন্ত নানা এক্টিভিটিজ বা কার্যক্রমে অংশ নিতে ৫ হাজার ৬৩২ তরুণ নিবন্ধিত হয়েছেন এবং এক বছরে ৫ হাজারের বেশি সেশন হয়েছে। ২৭. ভ্যালেন্স রোডে চালু হয়েছে নারীদের জন্য একটি বিশেষ সেবা কেন্দ্র 'নারী সেন্টার' (Nari Centre) - যা পুরো বারাজুড়ে সেবা প্রদান করবে। ২৮. যেসব বাসিন্দার হোম কেয়ার প্রয়োজন, তাদের জন্য ৫ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগে বিনামূল্যে হোম কেয়ার। ২৯. বারাজুড়ে সহজে নানা সেবা ও পরামর্শে পেতে পুনরায় চালু হলো পাঁচটি রেসিডেন্টস হাব। ৩০. কাউন্সিলের ব্যবস্থাপনাধীন কবরস্থান 'ইটারনাল গার্ডেনস' (Eternal Gardens) এ স্বল্প খরচের দাফন সুবিধা চালু রাখা। *বুস্ট কালচার, বিজনেস, জবস অ্যান্ড লেইজারঃ* শক্তিশালী কমিউনিটি, শক্তিশালী অর্থনীতি ৩১. নারী ও কিশোরী (১৬+) এবং পুরুষ (৫৫+) এর জন্য ফ্রি সুইমিং ও আকুয়াটিক সেশন চালু। ২০ হাজারের বেশি মানুষ উপকৃত। এর মধ্যে ৮৩% হচ্ছেন মেয়েরা। ৩২. বারাজুড়ে ৫টি নতুন আউটডোর জিম ও ৮ লাখ পাউন্ড ব্যয়ে ৪টি নতুন প্লে-জোন তৈরি। ৩৩. স্পোর্টস ফ্যাসিলিটি, জিম ও আউটডোর প্লে-গ্রাউন্ডে ৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বিনিয়োগ। ৩৪. চালু রয়েছে ২ হাজার ২০০টিরও বেশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, অংশ নিয়েছেন ১ হাজার ৫০০ শ'য়েরও বেশি বাসিন্দা। ৩৪০টিরও বেশি এপ্রেন্টিসশীপের সুযোগ সৃষ্টি। ৩৫. মার্কেট ট্রেডারদের ব্যবসায় সহায়তায় ১ ঘণ্টা ফ্রি পার্কিং চালু । এছাড়া Permit Transfer Scheme (PTS) চালু করা হয়েছে। কার-ফ্রি জোনে স্থানান্তর হলেও রাখা যাবে একটি পার্কিং পারমিট। ৩৬. লেইজার ফ্যাসিলিটিজে ৪০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি বিনিয়োগ। সবগুলো সুইমিং পুল চালু রয়েছে বর্তমানে। ৩৭. সেন্ট জর্জেস লেইজার সেন্টার ও হাউজিং প্রকল্পে বিনিয়োগ হচ্ছে ৬৭ মিলিয়ন পাউন্ড। নির্মিত হবে ৩৩টি ফ‍্যামিলি সাইজের কাউন্সিল মালিকানাধীন ঘর-বাড়ী। *এ কাউন্সিল দ্যাট ওয়ার্কস ফর এভরিওয়ানঃ* দূরে নয়, মানুষের পাশে ৩৮. বারার প্রাণকেন্দ্র হোয়াইটচ্যাপেলে নতুন টাউন হল চালু। এর ফলে বছরে ভাড়া বাবদ সেভ হচ্ছে কয়েক মিলিয়ন পাউন্ড । ৩৯. চার বছর মেয়াদের পুরোটা সময়ই চালু ছিল মেয়রের সাপ্তাহিক দুটি সার্জারি। প্রতি মাসে মেয়রের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন ২০০ - ৩০০ মানুষ। ৪০. ৫ লাখ পাউন্ড বিনিয়োগে ওয়াটনি মার্কেটে আবারো চালু হলো আইডিয়া স্টোর।
 নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান এই অর্জনগুলো সম্পর্কে বলেছেন, “আমরা একসাথে এমন একটি সমাজ গড়ে তুলেছি, যেখানে প্রতিটি শিশু, যুবক, বয়স্ক ও প্রবীণ সমানভাবে সুযোগ পায়। আমাদের লক্ষ্য শুধু আজকের জীবনমান উন্নয়ন নয়, ভবিষ্যতের জন্যও টেকসই ও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা। আমি চাই আমাদের সন্তানরা শিক্ষায়, স্বাস্থ্যসেবায় ও সুযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুবিধা পাবে, আর আমাদের প্রিয় মুরব্বীরা যথাযথ সেবা ও যত্ন পাবেন। আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ আসে তখন, যখন দেখি আমাদের বারা একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও সহমর্মী কমিউনিটিতে পরিণত হচ্ছে।” মেয়র বলেন, “আমার বিশ্বাস, নেতৃত্ব কেবল প্রতিশ্রুতি দেওয়ার নাম নয়, বরং সেই প্রতিশ্রুতিকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই নেতৃত্বের মূল কাজ। টাওয়ার হ্যামলেটসবাসী আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, তা রক্ষায় আমি শুধু কাউন্সিলের রেকর্ড নয়, নিজের হৃদয় দিয়ে কাজ করে গিয়েছি। এখানে শিশু থেকে শুরু করে প্রবীণ, নারী থেকে উদ্যোক্তা -সবার মুখে হাসি ফুটানোই আমার লক্ষ্য। আজ আজ আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি - শুধু টাওয়ার হ্যামলেটস নয়, গোটা ব্রিটেনের জন্য আমাদের কাজগুলো হয়ে উঠেছে অনুকরণীয়।” লুৎফুর রহমান বলেন, “আমি সন্তুষ্ট, কারণ আমি দেখছি, আমাদের সন্তানরা সুযোগ পাচ্ছে, আমাদের প্রবীণরা সম্মান পাচ্ছেন, আর আমাদের সমাজ শক্তিশালী হচ্ছে। এ পথচলা একার নয়, এটি সবার অংশগ্রহণে গড়া এক অনন্য অগ্রযাত্রা। আমরা প্রমাণ করেছি, সঠিক পরিকল্পনা, নিষ্ঠা আর মানুষের প্রতি ভালোবাসা থাকলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতিই বাস্তবে রূপ নেয়। আগামীর টাওয়ার হ্যামলেটস হবে আরও সবুজ, আরও নিরাপদ, আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক - এটাই আমাদের অঙ্গীকার।”


আরো পড়ুন!

Sidebar Banner
Sidebar Banner