টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )ইরান: প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তিনি প্রথমবারের মতো লিখিত ভাষণ দেন। এতে শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন তিনি।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক নারী উপস্থাপক এই বার্তাটি পাঠ করে শোনান। খবর আলজাজিরার।ভাষণে মোজতবা খামেনি বলেন, ইরান তার শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া থেকে বিরত থাকবে না। হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার সক্ষমতা ইরানের হাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত হাতিয়ার, এটি সংরক্ষণ করা উচিত। প্রয়োজনে ইরান আরও নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।তিনি বলেন, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় এবং কেবল সেই সব সামরিক ঘাঁটিকেই লক্ষ্যবস্তু করবে যেখান থেকে তাদের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হয়।ভাষণে তিনি দেশটির সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। খামেনি বলেন, আমি সেই সাহসী যোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা এমন এক সময়ে দুর্দান্ত কাজ করছেন যখন আমাদের দেশ চাপ এবং আক্রমণের মুখে রয়েছে।এর আগে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আহত হয়েছেন বলে জানায় সিএনএন। এতে বলা হয়, হামলায় তার পায়ের হাড় ভেঙে গেছে এবং চোখেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনির বাম চোখের চারপাশে আঘাতের দাগ রয়েছে। পাশাপাশি তার মুখেও ছোটখাটো আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।এর আগে একটি ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছিল, গত সপ্তাহে হত্যাচেষ্টার সময় তিনি আহত হন। কয়েক দিন ধরেই তার আহত হওয়ার খবর নিয়ে নানা গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল।সাইপ্রাসে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আলিরেজা সালারিয়ান জানিয়েছেন, হামলার সময় মোজতবা খামেনির বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য নিহত হন। সেই সময়ই তিনি আহত হন।সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। আঘাতের কারণেই তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে যা বললেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা








