নিউজ ডেস্ক
টিভি নাইনটিন অনলাইন
ঢাকাঃ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি রাজনীতিকে কখনো ব্যবসা হিসেবে নেয়নি। তিনি বলেন, “আমরা রাজনীতি করি নিজেদের সম্পদ বিক্রি করে। আমার বাপের জমিজমা বিক্রি করেই রাজনীতি করেছি—যা ছিল, তার অর্ধেক ইতোমধ্যে শেষ।” তিনি আরও বলেন, এটিই তার জীবনের শেষ নির্বাচন। এ নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ও সুযোগ কামনা করেন তিনি।আজ বৃহস্পতিবার সকালে সালন্দর ইউনিয়নের কালীতলা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন৷ মহাসচিব বলেন, আমরা ভিক্ষা আর দয়ায় বাঁচতে চায়না৷ কাজ করে বাঁচতে চায়৷ সেজন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে৷ আমাদের ছেলেগুলো শুধু পড়াশোনা করে এম.এ বি.এ পাশ করতে চায়৷ তবে পাশ করে চাকরি মেলেনা৷ এখন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাইরের দেশে গিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব। ছাত্রদেরকে ওইদিকে মনযোগী করতে হবে। সঠিক পথে যেতে হবে। এতে আমাদের উন্নতি হবে৷ তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর এসব কথা আমরা বলতে পারি নাই। আমাদেরকে শুধু পিটিয়েছে আর মামলা দিয়েছে৷ এখন আমরা কাজ করতে চায়। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন। সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করতে চায়৷ সবজি রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে। নারীদের কুটির শিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে৷ মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার বাবা, আমি ও আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগের আমলে ছোট ভাই চেয়ারম্যান থাকা সত্ত্বেও তাকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই। আমরা কাজ করতে পারিনি। সরকার চলে যাওয়ায় পর আমরা শহরের রাস্তার কাজ গুলো নিয়ে এসেছি৷ আপনারা অতীতে ভোট দিয়েছেন এবারও দেবেন। আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বাপের জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। বাপের জমিজমা যা ছিল অর্ধেক শেষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে সুযোগ করে দেবেন।পথসভায় স্থানীয় নারীরা টাকার মালা পরিয়ে দিলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। এ সময় তিনি বলেন, ২০০১ সালে নির্বাচনের সময় ও এলাকার মা-বোনেরা মুরগির ডিম, মুরগি বিক্রি করে আমাকে টাকা দিয়েছিলেন নির্বাচনের জন্য কারণ আমার টাকা নেই। ২০০৬ সালে একটি গাড়ি ক্রয় করছি সেটি এখন পর্যন্ত পরিবর্তন করতে পারিনি। অন্যের দেওয়া গাড়িতে করে নির্বাচন করছি।এসময় দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে সুযোগ দেবেন: মির্জা ফখরুল








