টাওয়ার হ্যামলেটস গত মাসে ন্যাশনাল পার্কিং প্লাটফর্ম (এনপিপি)-তে যোগ দিয়েছে। এর মাধ্যমে এটি লন্ডনের প্রথম বরো হয়ে উঠেছে। গসিপ ফলে এখন চালকদের জন্য পার্কিং ফি পরিশোধ করার আরও সহজ ও নমনীয় হলো।
চালকরা এখন থেকে তাদের পছন্দের অ্যাপ ব্যবহার করে পুরো বরো জুড়ে পার্কিং ফি পরিশোধ করতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে রিংগো (RingGo), পেবাইফোন (PayByPhone), জাস্টপার্ক (JustPark) সহ আরও কিছু অ্যাপ। এতে সবার জন্য পার্কিং ব্যবস্থাটি আরও সহজ হবে।
এনপিপি কোনো নতুন অ্যাপ নয় যা আপনাকে ডাউনলোড করতে হবে। এটি মূলত একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটাবেস, যা চালকেরা যে অ্যাপগুলো ইতোমধ্যে ব্যবহার করেন সেগুলোকে কাউন্সিলের পার্কিং সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করে।
বাসিন্দাদের জন্য এটি কীভাবে কাজ করে: ধরুন আপনি পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে ভিকটোরিয়া পার্ক-এর কাছে গাড়ি পার্ক করছেন। তখন আর নতুন কোনো পার্কিং অ্যাপ ডাউনলোড বা সাইন-আপ করার দরকার নেই। আপনি আপনার ব্যবহার করা অ্যাপটি (যেমন রিংগো) খুলবেন, সাইনবোর্ডে দেওয়া লোকেশন কোডটি লিখবেন এবং আগের মতোই পেমেন্ট করবেন।
এর পেছনে ন্যাশনাল পার্কিং প্লাটফর্ম (এনপিপি) আপনার নির্বাচিত অ্যাপটিকে টাওয়ার হ্যামলেটসের পার্কিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত করে দেয়, ফলে অতিরিক্ত কোনো ধাপ ছাড়াই সহজভাবে পার্কিং ফি পরিশোধ করা যায়।
টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের এনভায়রনমেন্ট ও ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি বিষয়ক ক্যাবিনেট মেম্বার, কাউন্সিলর শাফি আহমেদ বলেন, “এটি একটি দারুণ উদ্ভাবন যা সত্যিই বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দেয়। ন্যাশনাল পার্কিং প্লাটফর্ম (এনপিপি)-এ যোগ দেওয়া আমাদের রাস্তা আধুনিকায়নের একটি অংশ এবং একই সঙ্গে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করে। চালকেরা এখন তাদের পরিচিত অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন, একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমে আটকে থাকতে হবে না। এতে যাতায়াতকারীদের ঝামেলা কমবে, দর্শনার্থীদের সুবিধা বাড়বে এবং স্থানীয় ব্যবসাগুলোও উপকৃত হবে।”
ন্যাশনাল পার্কিং প্লাটফর্ম (এনপিপি) এর অন্তর্বর্তীকালীন সিইও, সারাহ রান্ডাল বলেন, “টাওয়ার হ্যামলেটসের Nন্যাশনাল পার্কিং প্লাটফর্ম (এনপিপি)-এ যোগ দেওয়ার মধ্যে দিয়ে পার্কিং ব্যবস্থা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা-ই ফুটে উঠেছে। এনপিপি কাউন্সিলগুলোকে একক সেবা প্রদানকারীর মডেল থেকে সরে এসে চালকদের জন্য প্রকৃত পছন্দের সুযোগ দেয়, যা আরও নমনীয় ও গ্রাহককেন্দ্রিক পার্কিং ব্যবস্থা তৈরি করে। আমরা তাদের এনপিপি-তে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত।”








