গ্রাম বাংলা ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এনসিপির যুবশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেফতার

post

টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )পাবনা: চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রাম থেকে তাকে কামালপুর ফাঁড়ি পুলিশ গ্রেপ্তার করে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রেস উইংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া বিষয়ক উপকমিটিরও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। কর্মরত আছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবেও।পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের জামালপুর জেলার এক ব্যক্তির চেক ডিজঅনারের মামলায় এক মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড মামলার আসামি ছিলেন তিনি।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হয়ে প্রচারণায় আসছিলেন নিজ এলাকায়। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার রাতে কামালপুর ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করে। পরে থানা পুলিশ ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করে।তবে আসাদের পরিবার জানায়, নির্বাচনের পরদিন (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের বাসায় গিয়ে আসাদ ও তার বাবার গায়ে রং মাখিয়ে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে ছাত্রদল এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা আসাদের ওপর আক্রমণ করে। এরপর পুরোনো মামলায় তাকে হেনস্তা করার উদ্দেশ্য পুলিশ ডেকে গ্রেপ্তার করায়। আসাদুল্লাহর স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, শুক্রবার গভীর রাতে তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পারিবারিক ষড়যন্ত্রমূলক ও হয়রানিমূলক একটি মামলা দেখিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।এত রাতে বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আমরা বিস্মিত হয়েছি। দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ২০২৪ সালের একটি অর্থঋণ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুন!

Sidebar Banner
Sidebar Banner