বাংলাদেশ ০২ অক্টোবর ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ মদের গুদাম সিলগালা

post

টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )ঢাকাঃ  ঢাকার দক্ষিণ গুলশানে ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এর অনুমোদিত ওয়্যারহাউজের বাইরে আরও দুটি অননুমোদিত ওয়্যারহাউজে মদ মজুতের সন্ধান পেয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির চারটি ওয়্যারহাউজই সিলগালা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আলোচিত ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর নুর ইসলামের।গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান ডিপ্লোমেটিক ওয়্যারহাউজ ‘টস বন্ড’ বিদেশি কূটনীতিকদের শুল্কমুক্ত অ্যালকোহল সরবরাহ করে থাকে। টস বন্ডের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ আসায় তা নিয়ে কয়েক মাস ধরেই অনুসন্ধান চলছিল।গতকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সিআইআইডি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ দল এ অভিযান চালায়।শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।সংস্থাটি জানায়- অভিযানে প্রাথমিকভাবে দেখা যায়, টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডের অনুমোদিত বা ঘোষিত ওয়্যারহাউজের সংখ্যা দুটি। তবে, সরেজমিন পরিদর্শনে প্রতিষ্ঠানটির মোট চারটি ওয়্যারহাউজে পণ্য মজুত রাখার তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ, অনুমোদিত ওয়্যারহাউজের বাইরে আরও দুটি অননুমোদিত ওয়্যারহাউজে পণ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।বিশেষ করে অননুমোদিত ওয়্যারহাউজে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা শুল্কমুক্ত পণ্য, বিশেষ করে মদসহ অন্যান্য পণ্য স্থানান্তর বা অপসারণের সম্ভাবনা থাকায় সেগুলো সুরক্ষিত রাখা এবং অধিকতর যাচাইয়ের স্বার্থে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট চারটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়েছে।অভিযানকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও বিস্তারিত যাচাই কার্যক্রম চলমান। যাচাই শেষে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।সম্প্রতি ঢাকার মিরপুরে ইসিবি নিউ গিনি প্রপার্টিজের প্রকল্প এলাকায় সালমান মুক্তাদির তার স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য ও লেনদেনের বিবরণ চায় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, সালমান মুক্তাদিরের সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে এটি সম্পৃক্ত নয়। নুর ইসলামের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ ছিল। প্রতিষ্ঠানের নথি বিশ্লেষণ করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন!

Sidebar Banner
Sidebar Banner