টিভি নাইনটিন লন্ডন ডেস্ক : গভীর শোক ও বেদনার সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, আই ওয়ান টিভির নিউজ প্রেজেন্টার লন্ডনপ্রবাসী রিনা দাসের পরম শ্রদ্ধেয় পিতা অজিত কুমার দত্ত আর আমাদের মাঝে নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে গত ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।
দীর্ঘ কর্মময় ও বর্ণাঢ্য জীবনে অজিত কুমার দত্ত ছিলেন একজন সৎ, সফল, দায়িত্বশীল ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। কর্মজীবনে তিনি পিডিবির ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। অবসরজীবনেও তিনি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার একজন মানুষ।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যা, জামাতা, ছয় নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, বন্ধু, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর চলে যাওয়া পরিবার-পরিজনের জন্য যেমন অপূরণীয় ক্ষতি, তেমনি তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিতজনদের মাঝেও সৃষ্টি করেছে গভীর শূন্যতা।
অজিত কুমার দত্তের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বোয়ালগাঁও গ্রামে। চট্টগ্রাম শহরে তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্বপরিবারে ঘাটফরহাদবেগ এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।
পিতার অসুস্থতার সংবাদ পেয়ে তাঁর প্রতি শেষ দায়িত্ব ও ভালোবাসার টানে লন্ডনপ্রবাসী কন্যা রিনা দাস গত ২৬ আগস্ট, অর্থাৎ পিতার মৃত্যুর এক দিন আগে, লন্ডন থেকে বাংলাদেশে এসে তাঁর পাশে অবস্থান নেন। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে প্রিয় পিতার সঙ্গে তাঁর সেই শেষ সাক্ষাৎ পরিণত হয় চিরবিদায়ের বেদনাবিধুর স্মৃতিতে।
অজিত কুমার দত্তের মৃত্যুতে টিভি ১৯ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তাঁর মতো একজন সজ্জন, সফল ও বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী মানুষের চলে যাওয়া সত্যিই এক অপূরণীয় ক্ষতি।
টিভি ১৯ পরিবারের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি জানানো হচ্ছে গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা। এই কঠিন সময়ে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার পাশাপাশি পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি প্রয়াত অজিত কুমার দত্তকে।
তাঁর কর্মময় জীবন, স্নেহময় ব্যক্তিত্ব ও অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা আত্মিক সম্পর্ক তাঁকে স্মরণীয় করে রাখবে দীর্ঘদিন। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি কামনা করছি।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অজিত কুমার দত্ত।
আপনার স্মৃতি বেঁচে থাকবে প্রিয়জনদের হৃদয়ে।








