বাংলাদেশ ২৪ মে ২০২৬

রামিসা হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, শুনানি ১ জুন

post

টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )ঢাকাঃ রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পুলিশের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করে তা বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।রোববার (২৪ মে) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন তিনি।এরপর এদিন বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলাটি উপস্থাপন করা হলে তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন। একইসঙ্গে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১ জুন দিন ধার্য করেন আদালত।এর আগে এদিন দুপুরে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার সময় ঘর থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে ভিক্টিমকে তার ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। সকাল সাড়ে ১০টায় বাদী মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে বাদী তার মেয়ের জুতা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাদী তার স্ত্রী ও অন্য ফ্ল্যাটের লোকজনকে নিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এসময় আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে ভিকটিম রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পান। আর মাথা রুমের ভেতর একটি রঙের বালতির ভেতর দেখতে পান।এসময় আসামি স্বপ্নাকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তার স্বামী সোহেল রানা ওই শিশুকে বাথরুমে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে।পরে ওই রুমের জানালার গ্রিল কেটে আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। আর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।রামিসার বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া বাসায় থেকে বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন। আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার একই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে থাকতেন। ভিক্টিম রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত।

আরো পড়ুন!

Sidebar Banner
Sidebar Banner