টিভি নাইনটিন নিউজ ডেস্ক ( অনলাইন )স্পোর্টস:বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসর ঘিরে তদন্ত শেষে কয়েকজন ক্রিকেটার, দলীয় কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতি দমন বিধিভঙ্গের অভিযোগ এনেছে। বিপিএলের একাদশতম আসরের পর দ্বাদশ আসরেও চারজন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে তদন্ত করেন বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল।তার এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে চারজনকে অভিযুক্ত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় বিসিবি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইসিসি অ্যান্টিকরাপশন কোড ফর পারটিপিশন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকজন খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।বিসিবি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খেলোয়াড় ও এজেন্টদের কাছে দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব দেওয়া, বেটিং-সংক্রান্ত কার্যকলাপ, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বেটিং ও দুর্নীতি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ, এবং ক্রিকেট ম্যাচে দুর্নীতি সংঘটনে সহায়তার অভিযোগ উঠে আসে।অভিযুক্তরা হচ্ছেন: লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার চট্টগ্রাম রয়্যালস), তৌহিদুল হক তৌহিদ (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক, নোয়াখালী এক্সপ্রেস), অমিত মজুমদার (ক্রিকেটার), রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার, সিলেট টাইটান্স)।
অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং অভিযোগপত্র পাওয়ার পর থেকে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তাদের ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে এছাড়া একজনকে বিপিএলের ৯ম, ১০ম এবং ১১তম আসরে খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক বেটিং চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে সামিনুর রহমানকে বিসিবির 'বহিষ্কারাদেশ নীতি' অনুযায়ী নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সামিনুর এই অভিযোগের বিরুদ্ধে কোনো আপিল না করে শাস্তি মেনে নিয়েছেন।তবে অভিযুক্তরা সবাই একই অভিযোগে অভিযুক্ত নন। কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর। এর মধ্যে সাবেক ক্রিকেটার লাবলুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি যথাযথ কারণ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে সহযোগিতায় অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানো এবং যোগাযোগ ও তথ্য গোপন করা বিসিবির আইনে বড় ধরনের অপরাধের শামিল। তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ।ক্রিকেটার অমিত ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি, পরিচালনা বা অন্য কোনো বিষয়ের ওপর বাজি ধরে অভিযুক্ত হয়েছেন। অমিত বিপিএলে খেলেননি। কিন্তু তার কর্মকান্ড নজরদারিতে ছিল।অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন দলীয় ব্যবস্থাপক মো. লাবলুর রহমান। তার বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য ও যোগাযোগ গোপন বা মুছে ফেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। একই অভিযোগ আনা হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধেও।এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং দলীয় ব্যবস্থাপক রেজওয়ান কবির সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচের ফল, অগ্রগতি বা অন্য কোনো বিষয়ে বাজিতে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে শাস্তি পেলেন ক্রিকেটারসহ ৫ জন, চারজনের নাম প্রকাশ








